বাণিজ্য মেলায় নাবিস্কোর বিস্কুটে
বিশেষ ছাড় ক্রেতা দর্শনার্থীদের ভিড়
রূপগঞ্জের পূর্বাচল উপশহরে বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার ৩০তম আসর এখন পুরোদমে জমজমাট। মেলার ১৬তমদিনে এসে ক্রেতা-বিক্রেতা আর নতুন উদ্যোগতাদের পদচারণায় জমে উঠেছে মেলা প্রাঙ্গণ। সাশ্রয়ী মূল্যে বিশেষছাড়ে দুপুরের পর থেকেই মানুষের ঢল নামছে মেলায়। ১৮ জানুয়ারী বিকেলে বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে আয়োজিত বাণিজ্য মেলা ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে। মেলা উপলক্ষে বিভিন্ন স্টল-প্যাভিলিয়নে চলছে আকর্ষণীয় ছাড়।গতবারের মতো এবারও মেলায় আগত ক্রেতাদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে নাবিস্কোর স্টল। বিভিন্ন অফারে বিক্রি হচ্ছে নানা প্রকারের বিস্কুট।
সরেজমিন ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার নাবিস্কোর স্টলে এমনই চিত্র দেখা গেছে। মেলা উপলক্ষে নাবিস্কো বিস্কুটের তিনটি অফার চলছে। সেগুলো হলো ‘নাবিস্কো রকমারি প্যাকেজ’, ‘নাবিস্কো টক ঝাল মিষ্টি’ ও ‘নাবিস্কো ইত্যাদি’। রকমারি প্যাকেজটি ৪০টাকা ছাড়ে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টক ঝাল মিষ্টি প্যাকেজ ৩০ টাকা ছাড় দিয়ে ৩৫০ টাকায় এবং ইত্যাদি প্যাকেজ একই টাকা ছাড়ে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
শফিকুল ইসলাম মীর নামের এক ক্রেতা বলেন, নাবিস্কোর বিস্কুট আমার সবসময় প্রিয়। কিন্তু বর্তমানে এ বিস্কুট সব জায়গায় পাওয়া যায় না। তাই মেলা থেকে বেশি করে বিস্কুট কিনে নিয়ে যাচ্ছি।
এম এমোমেন নামের আরেক ক্রেতা বলেন, কিশোরকালে সবসময় আমার এ বিস্কুট খাওয়া হতো। এখনো এ বিস্কুট খেলে ছোটবেলার নানা স্মৃতি মনে পড়ে যায়। তাই মেলায় এসেছি কিন্তু নাবিস্কোর বিস্কুট কিনবো না তা কি করে হয়।
নাবিস্কোর বিক্রয় কর্মকর্তা তানজিলুর রহমান বলেন, গতবারের মতো এবারও তিনটি প্যাকেজে আমরা বিস্কুট ছাড় দিয়ে বিক্রি করছি। এবার শুরু থেকেই আমরা ক্রেতাদের ভালো সাড়া পাচ্ছি। আশা করছি গতবারের তুলনায় এবার আমাদের বিক্রি বেশি হবে।
এবারের বাণিজ্যমেলায় বিভিন্ন ক্যাটাগরির ৩২৭ টি প্যাভিলিয়ন ও স্টল রয়েছে। দেশীয় পণ্যের পাশাপাশি ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, ইরান, সিঙ্গাপুর ও আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ অংশ নিচ্ছে। মেলায় এসব দেশের বস্ত্র, মেশিনারিজ, কার্পেট, কসমেটিকস অ্যান্ড বিউটি এইডস, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস, ফার্নিচার, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহসামগ্রী, চামড়া-আর্টিফিসিয়াল চামড়া ও জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, স্পোর্টস গুডস, স্যানিটারি ওয়্যার, খেলনা, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক, মেলামাইন পলিমার, হারবাল ও টয়লেট্রিজ, ইমিটেশন জুয়েলারি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ফাস্টফুড, হস্তশিল্পজাত পণ্য, হোম ডেকর ইত্যাদি পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে। পণ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি দেশীয় পণ্য রপ্তানির বড় বাজার খোঁজার লক্ষ্য রয়েছে।








