আওয়ামী ফ্যাসিস্টের পক্ষ নেওয়ায় মারধর করে সাবেক
উপজেলা চেয়ারম্যান মুকুলকে দিগম্বর করল বিএনপি পন্থিরা
Tnntv24.নিজস্ব প্রতিবেদক:
আওয়ামী পন্থি ফ্যাসিস্টের পক্ষে শ্রমিক সরবরাহের ঠিকাদারির ওয়ার্ক অর্ডারে স্বাক্ষর করতে গেলে বিএনপি পন্থিদের হাতে মারধরের শিকার হয়েছে বন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল। উপর্যুপরি আঘাতে তাঁকে প্রায় দিগম্বর করে ফেলে সন্ত্রাসীরা। মুকুলের একটি পা ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ বন্দর উপজেলা সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ড হরিপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে এঘটনা ঘটে।
নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, টেন্ডার নিয়ে বিরোধের জেরে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বন্দর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল (৬৮)-কে বেধড়ক মারধরের শিকার হয়েছে। অভিযোগের তীর সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি বজলুর রহমান-এর দিকে, যিনি সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিমের ঘনিষ্ঠ অনুসারী বলে জানা গেছে।
![]()
আহত আতাউর রহমান মুকুল গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বন্দরের হরিপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে শ্রমিক সরবরাহের একটি টেন্ডার তারা পেয়েছেন। আজকে ওয়ার্ক অর্ডারে সইয়ের শেষ দিন ছিল। সম্ভাব্য ঝামেলার আশঙ্কায় থানায় জিডি করে চারজন পুলিশ সঙ্গে নিয়ে সেখানে যায়। গাড়ি থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে বিএনপি নেতা বজলুর রহমান ও তার নেতৃত্বে ৪০/৫০ জন লোক অতর্কিতে হামলা চালায়। তারা মুকুলকে বেধড়ক মারধর করে, জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলে এবং দুই পুলিশ সদস্যকেও মারধর করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি বজলুর রহমান বলেন, ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগপন্থী আলাউদ্দিন একটি ঠিকাদারি নিয়েছে। মুকুল তার পক্ষ নিয়ে কাজ করতে আসেন। এতে স্থানীয় জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে হেনস্তা করেছে। আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি কাজ নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ থেকে এই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ছিল, তবে পুলিশ সদস্যদের মারধরের কোনো তথ্য পাইনি। ভুক্তভোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, ফিরে এসে তিনি থানায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।







