পরকীয়ার জেরে রংমিস্ত্রিকে রাজবাড়ি থেকে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে
নিয়ে হত্যার পর মাথা বিচ্ছিন্ন— পিবিআইয়ের তদন্তে হত্যার রহস্য উদঘাটন
Tnntv24.নিজস্ন প্রতিবেদক:
পরকীয়ার জেরে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী রংমিস্ত্রি আবরার খানকে রাজবাড়ি থেকে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে নিয়ে হত্যার পর মাথা বিচ্ছিন্ন করে প্রেমিকার পরিবারের সদস্যরা। পরে তার বিচ্ছিন্ন মাথা এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত দা পাশের একটি ডোবায় ফেলে রেখে রাজবারি চলে যায় হত্যাকারিরা। শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের পিবিআই পুলিশ সুপার মোস্তফা কামাল রাশেদ এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান। তিনি জানান ঘটনায় জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে লাশ উদ্ধারের পর নিহতের বাবা আড়াইহাজার থানায় অজ্ঞাতদের আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ সুপার জানান, শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে ঢাকার মধ্য বাড্ডা এলাকা থেকে হত্যাকাÐে সরাসরি জড়িত মো. রুহুল আমিন ওরফে রাব্বিকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত রাব্বি রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মঞ্জু শেখের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাব্বি হত্যাকাÐে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। এই ঘটনার সাথে জড়িত গ্রেফতার রাব্বির বেশ কয়েকজন স্বজন জড়িত বলে জানায় পিবিআইকে। তবে তদন্তের সার্থে নাম পরিচয় প্রকাশ করেনি সংস্থাটি।

নিহত রংমিস্ত্রী আবরাহাম খান ওরফে আলিম খান (২৭) একই উপজেলার ওয়াজেদ আলী খানের ছেলে। গত ১৬ ডিসেম্বর সকালে আড়াইহাজারের শ্রীনিবাসদী এলাকায় বালুর মাঠ সংলগ্ন রাস্তার পাশ থেকে রংমিস্ত্রীর মস্তকবিহীন মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করে।
তদন্তে জানা যায়, নিহত আবরাহাম খান ১৫ ডিসেম্বর সকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। একই দিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বোনের সঙ্গে শেষবার ফোনে কথা হয় তার। এরপর থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা ওয়াজেদ আলী খান বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করলে মামলাটি পিবিআই তদন্তের দায়িত্ব নেয়।








