প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসংঘের মহাসচিব
এক লাখ রোহিঙ্গার সাথে ইফতার করবেন
Tnntv24.নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে চার দিনের সফরে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) ঢাকায় আসছেন । শুক্রবার (১৪ মার্চ) তিনি কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাবেন। প্রধান উপদেষ্টা ও মহাসচিব এক লাখ রোহিঙ্গার সাথে ইফতার করবেন।

আন্তোনিও গুতেরেস ও ড.মুহাম্মদ ইউনুস
প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানিয়েছেন, জাতিসংঘ মহাসচিব ও প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এক লাখ রোহিঙ্গা ইফতার করবেন বলে আমরা আশা করছি। ইফতার আয়োজন করা হচ্ছে প্রধান উপদেষ্টার সৌজন্যে। রোহিঙ্গাদের জন্য এটি একটি ইউনিক এক্সপেরিয়েন্স হবে। নানা দুঃখ-কষ্টের মধ্যেও তারা ওই সময়ে কিছুটা স্বস্তি অনুভব করবেন বলে আশা করছি। বুধবার (১২ মার্চ) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই তথ্য জানান।
তিনি আরও জানান, জাতিসংঘ মহাসচিব কক্সবাজার থেকে সরাসরি চলে যাবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। সেখানে একটি ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন দেওয়া হবে। সেটার পর যাবেন রোহিঙ্গা কালচারাল সেন্টারে। রোহিঙ্গারা সেখানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা করবেন। রোহিঙ্গা তরুণদের সঙ্গেও জাতিসংঘ মহাসচিব বসবেন এবং কক্সবাজারে একটি লার্নিং সেন্টার পরিদর্শন করবেন। এই প্রোগ্রামগুলো শেষ হলে তিনি রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ইফতার করবেন। সেখানে প্রধান উপদেষ্টাও অংশ নেবেন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা কমে গেছে অনেক। আমরা আশা করছি জাতিসংঘ মহাসচিবের এই সফর মানবিক সহায়তাগুলো জোগাড় করার ওপর একটি ভূমিকা রাখবে। তাদের পুষ্টি সহায়তা খুবই জরুরি। আমরা চাই রোহিঙ্গাদের পুষ্টির চাহিদা যাতে কোনোভাবে কম্প্রোমাইজ না হয়। সেজন্য আন্তর্জাতিক সহায়তার প্রয়োজন হয়, প্রতিমাসে প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডলার রোহিঙ্গাদের জন্য দরকার। আমরা আশা করছি জাতিসংঘ মহাসচিবের এই সফর এখানে বিশ্বের নজর ফিরিয়ে আনবে। রোহিঙ্গাদের জন্য যে সহায়তা আসে সেটি যেন বন্ধ না হয়, তাতে যেন কোনও প্রভাব না পড়ে।
তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা বিষয়ে সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক সম্মেলন করবে জাতিসংঘ। তার সঙ্গে ফিনল্যান্ড এবং মালয়েশিয়া যুক্ত হয়েছে কো-স্পন্সর হিসেবে। আমরা আশা করছি জাতিসংঘ মহাসচিবের সফরকে ঘিরে এই আয়োজনে আরও ডেভেলপমেন্ট হবে। আমরা চাচ্ছি এই সম্মেলনের মাধ্যমে রোহিঙ্গা সমস্যার একটা দ্রুত সমাধান তৈরি হোক।








