দুলাভাই আমারে নাচাইছে,
আমি দুলাভাইরে নাচামু-প্রবাসী শ্যালক শাহাবুদ্দিন
Tnntv24.নিজস্ব প্রতিবেদক:
বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন সম্পর্কে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সহসভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ডি এইচ বাবুল বলেছেন, তিনি একজন নিরিহ মানুষ। নাজিম উদ্দিন নতুন আইলপাড়া সমাজ কল্যাণ কমিটির সহসভাপি।তিনি আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াতসহ কোন রাজনীতির সাথে জড়িত নয়। নাজিম উদ্দিন কখনো ঠিকাদারি ব্যবসাও করেননি। সত্তর বছর বয়সী নাজিম উদ্দিন এখন অবসর জীবন যাপন করছেন। তার স্ত্রী অবসর প্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক। এক ছেলে এক মেয়ের জনক নাজিম উদ্দিন।
কিন্তু বৃহস্পতিবার ( ১৪ আগষ্ট ) স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রবাসী জনৈক সাহাবুদ্দিন সরকার ও তার স্ত্রী মার্জিয়া খাতুনের সংবাদ সম্মেলনের প্রকাশিত সংবাদ আমাদের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে মার্জিয়া দম্পতি যা বলেছেন আমাদের কাছে সত্য বলে মনে হয়নি। সম্পূর্ণ বক্তব্যই অতিরঞ্জিত ও মিথ্যাচার বলে প্রতিয়মান হয়। ডিএইচ বাবুল আরো জানান, তাদের সমস্য সামাজিক ভাবে বসে মিমাংসা করা হলেও মার্জিয়া আক্তার তা মানেননি। ফলে তিনি থানায় অভিযোগ করেছেন। পুলিশও তদন্ত করেছে। বিষয়টি মিমাংসার জন্য থানায় বসার তারিখ করা হয়েছিল। কিন্তু মার্জিয়া আক্তার সেই শালিশেও উপস্থিত হননি
একই কথা বলেছেন, সিদ্ধিরগঞ্জের নতুন আইলপাড়া বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদের সভাপতি হাজী আবু মুসা। তিনি বলেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন সমাজে একজন ভালো মানুষ হিসেবে সুপরিচিত। তিনি সৎ জীবন যাপন করেন বলেই আমরা জানি। প্রতিবেশি যিনি তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে তিনি সত্যটা তুলে ধরতে ভুল করেছেন। ফলে উদ্দেশ্যমূলক ভাবে মিথ্যাচার করে গেছেন। এটা খুব অসম্মানজনক হয়েছে বলে আমরা মনে করি।
এদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন বলেছেন,১৯১৭ সালে প্রবাসী সাহাবুদ্দিন সিদ্ধিরগঞ্জের নতুন আইলপাড়া এলাকালয় বাড়ি করার সময় রাস্তার ওপর পিলার স্থাপনে এলাকাবাসীর সাথে তিনিও বাধা দেন। সেই বাধা উপেক্ষা করে শাহাবুদ্দিন বাড়ি নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখলে এলাকার আইনজীবী সম্রাটের নেতৃত্বে এলাকাবাসী রাজউকে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। রাজউক তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ওই পিলার সরিয়ে দেয় এবং ছাদে বাড়তি রড কেটে ফেলে। একারণে এলাকার আর কারো সাথে না জড়ালেও সম্পর্কে দুলাভাই নাজিম উদ্দিনের সাথে বিরোধ সৃষ্টি করেন শাহাবুদ্দিন দম্পতি। তখন শাহাবুদ্দিন বলেন,দুলাবাই আমারে নাচাইছে,আমিও দুলাবাইকে নাচিয়ে ছাড়ব। অথচ শ্যাক শাহাবুদ্দিন-মার্জিয়া দম্পতির বাড়ির পাশে দুলাভাই নাজিম উদ্দিনের বাড়ি না। মাঝে অন্য মালিকানার বাড়ি রয়েছে। এখন নাজিম উদ্দিন নিজ টিনশসেড বাড়ি ভেঙ্গে বিল্ডিং নির্মাণ কাজ শুরু করায় বাধা দিচ্ছেন সাহাবুদ্দিন দম্পতি।এব্যাপারে মার্জিয়া বেগম সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় অভিযোগ করলে তদন্ত শেষে পুলিশ থানায় বসে মিমাংসার তারিখ ধার্য করেন। কিন্তু নির্ধারিত তারিখে মার্জিয়া আক্তার সেই শালিশে হাজির না হয়ে পরের দিন নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে গিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়,শাহাবুদ্দিন ছাত্র জীবনে ছাত্র লীগের রাজনীতি করতেন। ইতালীতেও তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ইতালীতে তিনি এবং তার ভাই হুন্ডি ব্যবসার সাথে জড়িত বলেও জনশ্রুতি রয়েছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন বলেছেন,তাঁর বয়স সত্তর বছর। তার দাবি তিনি বাটন মোবাইল ব্যবহার করেন।ফেসবুক ব্যবহারও তিনি জানেন না।ফলে ফেসবুকে উত্যক্ত করা মার্জিয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বনোয়াট। #








