রূপগঞ্জ জনগণের প্রত্যাশা উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে
অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুনকে দেখতে চান
Tnntv24.শফিকুল আলম ভূইয়া নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্র- বিন্দুতে শীর্ষে রয়েছেন রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন । দীর্ঘ প্রায় ৪৫ বছর বিএনপির রাজনীতির সাথে ওৎপ্রোত ভাবে জড়িত, অশংখ্য মিথ্যা মামলায় জেল,জুলুমের শিকার হয়েছেন। সামাজিক, মানবিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তিনি একজন জন প্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। দুইটি পৌরসভা ও সাতটি ইউনিয়ন নিয়ে রূপগঞ্জ উপজেলার অবস্থান। রূপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত সভা- সেমিনারে অংশগ্রহণ করছেন তিনি। মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে খোঁজখবর নিচ্ছেন। রাস্তাঘাট সংস্কার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান উন্নয়নসহ নানা জনকল্যাণমূলক কাজে তিনি নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। স্থানীয়দের মতে, যে কোনো সমস্যা বা দুর্যোগের সময় তিনি দ্রুত মানুষের পাশে দাঁড়ান, যা তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্বাচল উপশহরের আদিবাসীদের যারা প্লট পাননি। অনেকেরই সরকারি ভাবে প্লটের ব্যবস্হা করে দিয়েছেন। রূপগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়ন করার জন্য সবসময় ব্যস্ত রেখেছেন। এলাকার রাস্তা সংস্কারেও ব্যক্তিগত উদ্যোগে সহযোগিতা করেছেন।
বিভিন্ন মসজিদ-মাদরাসা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে অনুদান প্রদান, দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং গরিব পরিবারের বিয়ে-শাদিতে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার মতো মানবিক কর্মকাণ্ডেও তিনি নিয়মিতভাবে অংশ গ্রহন করে থাকেন। বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও তার সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।
রূপগঞ্জ উপজেলার একাধিক বাসিন্দা জানান, একজন সৎ, নিষ্ঠাবান ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা থেকেই তারা অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কে রূপগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। তাদের মতে, তিনি নির্বাচিত হলে রূপগঞ্জ উপজেলার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পাশাপাশি উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত হবে। রাজনৈতিকভাবে তিনি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মতিন চৌধুরীর আদর্শে অনুপ্রাণিত বলে উল্লেখ করে অ্যাডভোকেট হুমায়ুন বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে মানুষের সেবা করার একটি মহৎ উদ্দেশ্য।
গত ৪০/৪৫ বছরে উনি কোন প্রতিষ্ঠান থেকে কোন অনুদান গ্রহণ করেন নাই। তার নামে কোন বদনাম নাই। দাউদপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে অবস্হিত “বিএনও ওয়্যার নেইল ” ইন্ডাস্ট্রিজ নামক কারখানার বর্জ্য আশপাশের ফসলি জমিতে ফেলার কারণে জনগণের কথা বিবেচনা করে মালিক কর্তৃপক্ষকে বলায়, একটি স্বার্থানেশী কুচক্রীমহল তার নামে মিথ্যা রটানো ছড়াচ্ছে। প্রকৃত পক্ষে অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান ও বিচক্ষণ ব্যক্তি।
আমি রূপগঞ্জ উপজেলার ২ টি পৌরসভা ও ৭ টি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। দলমত নির্বিশেষে সকল নাগরিকের কল্যাণে কাজ করাই আমার লক্ষ্য।” তিনি আরও বলেন, “রূপগঞ্জ বসীর দোয়া ও সমর্থন পেলে রূপগঞ্জ উপজেলাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত, নাগরিকবান্ধব ও মাদকমুক্ত রূপগঞ্জ উপজেলা হিসাবে গড়ে তুলতে চাই। গরিব ও অসহায় মানুষের যেকোনো সমস্যার সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব এবং উন্নয়নের ধারাকে আরও বেগবান করব, ইনশাআল্লাহ।” স্থানীয় ভোটারদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার কারণেই অ্যাডভোকেট হুমায়ুন

ইতোমধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তাদের প্রত্যাশা-যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে রূপগঞ্জ উপজেলার উন্নয়নয়ন ও অগ্রগতির পথে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে।
ইতোমধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তাদের প্রত্যাশা-যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে রূপগঞ্জ উপজেলার উন্নয়নয়ন ও অগ্রগতির পথে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে।








