নারায়ণগঞ্জ শুক্রবার | ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ বসন্তকাল | ৬ই শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
  সর্বশেষ
রূপগঞ্জে যুবলীগ নেতা রুহুল আমিন  বিস্ফোরণ আইনে  গ্রেফতার।Nafiz Ashraf.Tnntv24
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভারতের কাছে শেখ হাসিনাকে ফেরত চাইলেন।Nafiz Ashraf.Tnntv24
মিয়ানমারে ভূমিকম্পে বিদ্ধস্ত এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেবা কার্যক্রম।Nafiz Ashraf.Tnntv24
রূপগঞ্জে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতঘরে সন্ত্রাসী হামলা ভাঙচুর লুটপাট, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি!Nasiz Ashraf.Tnntv24 
ভারত অযৌক্তিক আপত্তি তোলছে সেভেন সিষ্টার্স নিয়ে ড.ইউনূসের বক্তব্য।Nafiz Asharf.Tnntv24
শেখ হাসিনার পতন মানেই বিএনপি’র বিজয়-মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন।Nafiz Ashraf.Tnntv24
রূপগঞ্জে বিদেশি মদসহ ব্যবসায়ী আটক : Nafiz Ashraf.Tnntv24
 গাজীপুরে মহুয়া কমিউটার চলন্ত ট্রেনের পাওয়ার কার বগিতে আগুন। Nafiz Ashraf.Tnntv24
টিউলিপ সিদ্দিকের দুর্নীতির অভিযোগের প্রশ্নের উত্তর তাঁর আইনজীবীরা দেবে।Nafiz Ashraf.Tnntv24
প্রধান উপদেষ্টা ড.ইউনূস আজ থাইল্যান্ড যাচ্ছেন।Nafiz Ashraf.Tnntv24
Next
Prev

যুক্তরাষ্ট্রের বানিজ্য যুদ্ধ:বাংলাদেশি পণ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ।Nafiz Ashraf.Tnntv24

যুক্তরাষ্ট্রের বানিজ্য যুদ্ধ:বাংলাদেশি পণ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ।Nafiz Ashraf.Tnntv24

Facebook
WhatsApp
LinkedIn
যুক্তরাষ্ট্রের বানিজ্য যুদ্ধ:বাংলাদেশি পণ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ।Nafiz Ashraf.Tnntv24

যুক্তরাষ্ট্রের বানিজ্য যুদ্ধ:বাংলাদেশি

পণ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ

Tnntv24.অনলাইন ডেক্স:

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ডোনাল ট্রাম্পের শুল্ক বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর আরোপ করা হবে। অনেক দেশই এ সিদ্ধান্তকে ‘বাণিজ্য যুদ্ধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

বাংলাদেশের জন্য এটি একটি বড় ধরনের ধাক্কা, কারণ বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রফতানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক হারে রফতানি হয় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক। ২০২০ সালে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৮.৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে, যার মধ্যে বড় অংশই ছিল তৈরি পোশাক। গত বছর, ২০১৯ সালে, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি ছিল ৭.৩৪ বিলিয়ন ডলার।

এখন, নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদরা।

এ বিষয়ে গত বুধবার হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলন করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং নতুন শুল্কের ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিবস’ হিসেবে এই দিনটিকে অভিহিত করেন। ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে এমন শুল্ক আরোপের জন্য অপেক্ষা করছিল।

এছাড়া, অন্য দেশগুলোর ওপরও শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। ভারতের পণ্যের ওপর ২৬ শতাংশ, পাকিস্তানের ওপর ২৯ শতাংশ, চীনের ওপর ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ এবং ভিয়েতনামের পণ্যের ওপর ৪৬ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

এ দিকে, ট্রাম্প কঠোর বাণিজ্য নীতির আওতায় বিদেশি গাড়ির ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তও নিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের গাড়ি উৎপাদনের বেশিরভাগই তাদের নিজ দেশে বিক্রি হয়, এবং যুক্তরাষ্ট্রে এই গাড়ির বিক্রি খুবই কম।

এ শুল্ক বৃদ্ধির মাধ্যমে ট্রাম্প ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির প্রতি তার প্রতিশ্রুতি আরো একবার নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পুনর্জন্মের সূচনা হবে এবং দেশটিকে আবারও শক্তিশালী করবে।

এ সম্পর্কিত আরো খবর...

error: Content is protected !!