নারায়ণগঞ্জ | | |
  সর্বশেষ
রূপগঞ্জ খোদ ইউএনও দপ্তরেই ভুয়া সনদে চাকরির অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস:Tnntv24
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে জেলা যুবদলের আনন্দ র‍্যালি। Tnntv24
ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ডেমরা সেতুর মেরামত কাজ দুইদিন বন্ধ, যানজটের আশংকা:Tnntv24 
রূপগঞ্জে শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রধান শিক্ষকের সাথে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা।Tnntv24
রূপগঞ্জে ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় আখ ক্ষেত ভাংচুরের ঘটনায়৷ পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ:Tnntv24
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্ত্রী ও ছেলে কুপিয়ে হত্যা মামলায় হারেজ নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত:Tnntv24
ঢাল-তলোয়ার ছাড়া রাতে হকার উচ্ছেদ অভিযান:আর অমনি হকারদের রোষানলে প্রশাসক সাকাওয়াতকে:Tnntv24
রূপগঞ্জে মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগে ১২জনকে  বিনাশ্রম কারাদণ্ড:Tnntv24
রূপগঞ্জ উপজেলা জাতীয় যুবশক্তির  কমিটি গঠন:Tnntv24
রেডক্রিসেন্টে নবী-টিপু প্যানেল ফিল্ড অফিসার মাহমুদার কাছে জমা। Tnntv24
Next
Prev

রূপগঞ্জ খোদ ইউএনও দপ্তরেই ভুয়া সনদে চাকরির অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস:Tnntv24

রূপগঞ্জ খোদ ইউএনও দপ্তরেই ভুয়া সনদে চাকরির অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস:Tnntv24

Facebook
WhatsApp
LinkedIn
রূপগঞ্জ খোদ ইউএনও দপ্তরেই ভুয়া সনদে চাকরির অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস:Tnntv24
রূপগঞ্জ খোদ ইউএনও দপ্তরেই ভুয়া সনদে
চাকরির অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস
Tnntv24.শফিকুল আলম ভুইঁয়া নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দপ্তরেই জাল বিদ্যালয় ছাড়পত্র ব্যবহার করে সরকারি চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে।
 কিশোরগঞ্জের একটি উচ্চবিদ্যালয়ের নাম ও প্যাড ব্যবহার করে তৈরি করা ছাড়পত্রের মাধ্যমে চাকরি পাওয়ার অভিযোগটি সামনে আসার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মো. রিপন মিয়া ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত রূপগঞ্জ উপজেলা কার্যালয়ে মাস্টাররোলে পিয়ন হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে ২০১৫ সালের জুলাই মাসে কাগজপত্র জমা দিয়ে ‘অফিস সহায়ক’ পদে স্থায়ী নিয়োগ পান। এরপর থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত তিনি সরকারি রাজস্ব খাতের এ পদে চাকরি করে আসছিলেন।
অনুসন্ধান সূত্রের দাবি, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ উচ্চবিদ্যালয়ের নাম ও প্যাড ব্যবহার করে একটি বিদ্যালয় ছাড়পত্র তৈরি করা হয়। ওই নথিতে রিপন মিয়াকে ২০০৯ সালের নবম শ্রেণির নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে দেখানো হয়েছে।
 ছাড়পত্রে তাঁর পিতার নাম রাজা মিয়া, মাতার নাম রানী আক্তার এবং ঠিকানা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ব্রাহ্মণগাঁও উল্লেখ রয়েছে। সেখানে তাঁর জন্মতারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৫ লেখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, নথিটি যাচাই-বাছাইয়ের পর ভুয়া বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ছাড়পত্রটি কীভাবে তৈরি হয়েছে, কে বা কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং নিয়োগের সময় কীভাবে এটি গ্রহণ করা হয়েছিল, তা বিস্তারিত তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্রের অভিযোগ, এ ঘটনায় অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। তাঁদের মতে, সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত সনদ ও অন্যান্য কাগজপত্র যথাযথভাবে যাচাই করা জরুরি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
ভুয়া সনদের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত রিপন মিয়া বলেন, “আমার মনে হয় এখানে আর চাকরি করা হবে না। আমি যা করেছি ভুল করেছি।”
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আব্দুল্লাহ বিন শফিক বলেন, “আমি আপনার কাছ থেকে এই প্রথম শুনলাম। জাল সনদ দাখিলের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে। প্রাথমিক সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এ সম্পর্কিত আরো খবর...

error: Content is protected !!