নারায়ণগঞ্জ | | |
  সর্বশেষ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্ত্রী ও ছেলে কুপিয়ে হত্যা মামলায় হারেজ নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত:Tnntv24
ঢাল-তলোয়ার ছাড়া রাতে হকার উচ্ছেদ অভিযান:আর অমনি হকারদের রোষানলে প্রশাসক সাকাওয়াতকে:Tnntv24
রূপগঞ্জে মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগে ১২জনকে  বিনাশ্রম কারাদণ্ড:Tnntv24
রূপগঞ্জ উপজেলা জাতীয় যুবশক্তির  কমিটি গঠন:Tnntv24
রেডক্রিসেন্টে নবী-টিপু প্যানেল ফিল্ড অফিসার মাহমুদার কাছে জমা। Tnntv24
ঢাকা বাইপাস সড়ক রূপগঞ্জের নলপাথর ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণ কাজ চালুর দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ:Tnntv24
রূপগঞ্জের পূর্বাচলে ট্রাক-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন বন্ধু নিহত।Tnntv24
রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ অভিযোগ:Tnntv24 
রূপগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধভাবে স্হাপনা নির্মাণের অভিযোগ:Tnntv24
রূপগঞ্জে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি  সংঘর্ষে নিহত দুই, আহত তিন:Tnntv24
Next
Prev

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্ত্রী ও ছেলে কুপিয়ে হত্যা মামলায় হারেজ নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত:Tnntv24

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্ত্রী ও ছেলে কুপিয়ে হত্যা মামলায় হারেজ নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত:Tnntv24

Facebook
WhatsApp
LinkedIn
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্ত্রী ও ছেলে কুপিয়ে হত্যা মামলায় হারেজ নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত:Tnntv24

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্ত্রী ও ছেলে কুপিয়ে হত্যা মামলায়

হারেজ নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত

Tnntv24.নিজস্ব প্রতিবেদক:

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্ত্রী ও ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার মামলায় হারেজ নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। সোমবার নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হারেজ ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার গুলহরি (দুর্গাপুর) এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ভোলাইল গেদ্দার বাজার এলাকায় শাহ আলমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।

নারায়ণগঞ্জ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবুল কালাম আজাদ জাকির জানান, ২০২০ সালের ৮ জুলাই দিবাগত রাতে হারেজ তাঁর ১৬ বছর বয়সী ছেলে সোহাগ ও স্ত্রী মনোয়ারা বেগমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে।
এ ঘটনায় ফতুল্লা থানা পুলিশ হারেজকে আটক করে। পরে নিহত মনোয়ারা বেগমের মেয়ে বিথি ও তাঁর বড় ভাই মজিবুর রহমান ওরফে মজিদ মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে পুলিশ হারেজের বিরুদ্ধে ২০২০ সালের ২০ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। আসামী ১৬৪ ধারায় আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্ধি প্রদান করেন। আদালত ২৩ জন সাক্ষীর স্বাক্ষ গ্রহণ করে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
বিচার শেষে আসামি হারেজের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

এ সম্পর্কিত আরো খবর...

error: Content is protected !!