নেদারল্যান্ড টিমকে ভালোবেসে নিজের রুমে বিভিন্ন জার্সি
ও রং করাসহ মনের মত সাজিয়ে ভাইরাল
নারায়ণগঞ্জের এক ফুটবল প্রেমিক
Tnntv24.নিজস্ব প্রতিবেদক:
নেদারল্যান্ড টিমকে ভালোবেসে নিজের রুমে বিভিন্ন জার্সি ও রং করাসহ মনের মত সাজিয়ে ভাইরাল হয়েছেন নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে এক ফুট বল প্রেমিক।তিনি নিজের খুশি মত এই রুমটাকে সাজানোর জন্য পতাকা ফুটবল রং দিয়ে দারুণ বারে সাজিয়ে শিল্পময় করে গড়ে তুলেছেন। এই ফুটবলপ্রেমী ঘরের বিছানা থেকে শুরু করে চাদর,দরজা পর্যন্ত সবকিছু সাজিয়েছেন। তার সংগ্রহ রয়েছে ১৯৭৪ থেকে এখন পর্যন্ত দলের শতাধিক জার্সি এবং বিভিন্ন রকমের ফুটবলসহ নানা স্মারক।
নেদারল্যান্ড টিমকে ভালবেসে বিভিন্ন সময়ের জার্সি কালেকশন ও ফুটবল স্বারক দিয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন নিজের রুমটি। তার রুমে নেদারল্যান্ড এর একটি ছোট্ট স্টেডিয়াম হিসেবে সাজানোর চেষ্টা করছেন বলেও তিনি জানান। শৈশব থেকে নেদারল্যান্ড সাপোর্ট করেন। ১৯৮৮ সালে ইউরো কাপ জেতার পর থেকেই তারপর একটা অন্যরকম সমর্থন ও আগ্রহ সৃষ্টি হয়।

২০১০ সাল থেকে দীর্ঘ ১৬ বছরে এ গুলো তিনি সংগ্রহ করেছেন বলে দাবি করলেন ফুটবল প্রেমিক বদরুদোযা লস্কর। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের লাকিবাজার এলাকায় তার বসবাস। স্ত্রী ও দুই ছেলে সন্তান নিয়ে তার পরিবার। তিনি সরকারী চারকি করেন। তবে মজার বিষয় হচ্ছে বদরুদ্দোজার এই সাজানো-গোছানো রুমে যখন তখন স্ত্রী,সন্তানদের প্রবেশ নিষেধ রয়েছে। যাতে করে সাজানো-গোছানোতে কারো হাত না লাগে। এজন্য স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস মিলির সাথে স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তিবদ্ধও হয়েছেন।
নেদারল্যান্ড সমর্থক বদরুদোযা লস্করের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস মিলি আর্জেন্টিনা সমর্থক। তার ১৩ বছর বয়সী বড় ছেলে আমির হামজা লস্কর জার্মানি সমর্থন করেন। আর সাত বছর বয়সী ছোট ছেলে মো: সাদ আব্দুল্লাহ লস্কর জার্মান ভক্ত হলেও কারো কোন সমর্থনে অন্য সদস্যের কোন বাধা নাই। তবে প্রত্যেকেই আশাবাদী নিজ নিজ দল চ্যাম্পিয়ন হোক। আর আর্জেন্টিনা সমর্থক স্ত্রী স্বামীর সমর্থন নিয়েছেন বিষয়ে বললেন, এরকম পাগলামি কাউকে করতে দেখিনি। স্বামীর এমন পাগলামি পরাবারের সবাই আনন্দের সাথে উপভোগ করেন। তিনি দোয়া করেন তার স্বামীর সমর্থন করা দল যেন একবার হলেও বিশ্বকাপ পায়।
ছেলে জার্মানি সমর্থক হলেও বাবার এই সংগ্রহে আনন্দিত। আমির হামজা লস্কর জানায় তার বাবার কাছে জার্সি, কার্ড, ব্রেসলেট, স্বারক, চাবি রিং সহ অনেক কিছু আছে। আর ছোট ছেলে জার্মানি সমর্থন করেন। ছোট ছেলে জার্মান ভক্ত হলেও কারো কোন সমর্থনে তার কোন বাধা নাই। বাবার দলের জন্য দোয়া চায়। নিজ দলের কয়েকজন প্রিয় খেলোয়ারের নামও বলে দুই ভাই।








