নারায়ণগঞ্জ | | |
  সর্বশেষ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ-গ্রেফতার ১।Tnntv24
রূপগঞ্জে বেড়িবাধেঁর ভেতর কৃত্রিম জলাবদ্ধতার  প্রতিকার চায় এলাকাবাসী:Tnntv24
টাংগুয়ার হাওরে ‘জল হাওর একতারা’ কাব্যগ্রন্থের পাঠ-উন্মোচন:Tnntv24
দেশের ১০ জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের পরিকল্পনা, খেলাধুলায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।Tnntv24
রূপগঞ্জ ইউপিতে প্রশাসক নিয়োগের প্রতিবাদে  জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন:Tnntv24
রূপগঞ্জ সদর ইউনিয়নের প্রশাসক হলেন বিএনপি নেতা মোঃ নূরনবী ভুঁইয়া:Tnntv24
নারায়ণগঞ্জের ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি সাদিক শীতলক্ষ্যায় নিখোঁজ।Tnntv24
সেলিম ওসমান সন্ত্রাসী,বললেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন। Tnntv24
নারায়ণগঞ্জে জুলাই শহীদদের স্মরণে স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন।Tnntv24
রূপগঞ্জে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ১জন গ্রেফতার:Tnntv24
Next
Prev

রূপগঞ্জে বেড়িবাধেঁর ভেতর কৃত্রিম জলাবদ্ধতার  প্রতিকার চায় এলাকাবাসী:Tnntv24

রূপগঞ্জে বেড়িবাধেঁর ভেতর কৃত্রিম জলাবদ্ধতার  প্রতিকার চায় এলাকাবাসী:Tnntv24

Facebook
WhatsApp
LinkedIn
রূপগঞ্জে বেড়িবাধেঁর ভেতর কৃত্রিম জলাবদ্ধতার  প্রতিকার চায় এলাকাবাসী:Tnntv24
রূপগঞ্জে বেড়িবাধেঁর ভেতর কৃত্রিম জলাবদ্ধতার 
প্রতিকার চায় এলাকাবাসী
Tnntv24.শফিকুল আলম ভূঁইয়া নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
অতিবর্ষনে বেড়িবাধঁ এলাকার ভেতরে সৃষ্টি হচ্ছে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা। ডুবছে রাস্তাঘাট, ডুবছে ঘরবাড়ি। শিক্ষাঙ্গনে যেতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। ছড়াচ্ছে পানিবাহিত রোগ-জীবানু। প্রতি বছরই এমন ভোগান্তিতে পরছে প্রায় ১২টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।  নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভা কাঞ্চন, কালাদী, নলপাথর, ডুলুরদিয়া, টেকপাড়া, মুড়াপাড়া-গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের হাটাব, বাড়ইপাড়, আমলাব, পিঠাকুড়ি এলাকায় এমন চিত্রের দেখা মিলে।
সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, ১৯৮৬ সালেজাইকার অর্থায়নে এ সকল এলাকায় অধিগ্রহনের মাধ্যমে বানিয়াদী থেকে গোলাকান্দাইল ও কাঞ্চনের কালাদী থেকে গোলাকান্দাইল পর্যন্ত ২টি  বড় সেচ খাল এবং এলাকার ভেতরে সুতালরির খাল, দাগিরমার খাল, মাউচ্চা বিলের খাল, কানী বিলেরখাল ও টাটকির খালসহ ৬/৭ টি শাখা খাল খনন করা হয়। বেড়িবাধঁ এলাকায় বর্ষায় পানি নিস্কাশন আর আবাদ মৌসুমে চাষাবাদের সুবিধার্থে বানিয়াদী এলাকায় তৈরি হয় স্লূইচ গেইট। সেখানে বসানো হয় ৪টি সেচ পাম্প। এছাড়াও প্রতিটি শাখা খালকে স্লূইচ গেইটের মাধ্যমে শীতলক্ষ্যা নদীর সাথে সংযোগ করা হয়। খালগুলো রক্ষনাবেক্ষন না থাকায় বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে ভরাট কিংবা দখল হয়ে যায়।   কালাদী থেকে গোলাকান্দাইল পর্যন্ত খালটি ভরাট করে ঢাকা বাইপাস সড়ক প্রসস্থকরণ কাজ করা হয়, তাতে খালটি বিলীন হয়ে পড়ে। কাঞ্চন দক্ষিণ বাজার এলাকায় উকিল বাড়ির খালের উপর গড়ে উঠেছে ছোট-বড় অর্ধশত অবৈধ স্থাপনা। টেকপাড়া থেকে পিঠাকুড়ি পর্যন্ত শাখা খালের উপর নির্মাণ করা হয় অবৈধ বাগান বাড়ি। ডুলুরদিয়া এলাকায় সেচ খালের উপর অবৈধভাবে বালুফেলে ভরাট করা হয়েছে। বানিয়াদী স্লূইচ গেইট থেকে গোলাকান্দাইল পর্যন্ত বড় খালের উপর বর্জ্যস্তুপ, অবৈধ পাকা স্থাপনা, গৃহস্থালীর ময়লা আবর্জনা ফেলে ভরাট করার ফলে পানির চলাচল কমে গেছে। এছাড়াও গোলাকান্দাইল থেকে ব্রক্ষ্মপুত্র নদী পর্যন্ত খালের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ দখলদারের কারণে ব্যহত হচ্ছে পানির চলাচল। টাটকির খাল, সুতালরির খাল, দাগিরমার খালে বিভিন্ন ফ্যাক্টরির অবৈধ দখলদার এবং ওই সকল ফ্যাক্টরির ময়লা পানি আটকে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।
ঢাকা বাইপাস রাস্তার পাশে গড়ে ওঠেছে বেশ কয়েকটি বালুর গদি। যেখানে বালুর ৩গুন পানি বেড়িবাধঁ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। বড় খাল এবং শাখা খালের বিভিন্ন স্থানে পানি বাধাঁপ্রাপ্ত হয়ে উজানের পানি বানিয়াদীর খালে নামতে পারছে না। ফলে স্লূইচ গেইট  এবং সেচ পাম্প থাকা স্বত্তেও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।
এলাকাবাসী জানান, সরকারি অর্থায়নে অধিগ্রহণকৃত খালগুলো উদ্ধার করে পুনঃখনন করতে হবে। সড়কে দখলকৃত খালের বিকল্প খাল খনন করতে হবে। খালের উপর অবৈধ স্থাপনা গুলো উচ্ছ্বেদ করতে হবে। খাল খননের মাধ্যমে উজানের পানি বানিয়াদী খালে পৌছানোর ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিটি খাল পরিষ্কার রাখা, নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর তদারকি করা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। সরকারি খালে অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে কঠোর ভাবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রতিটি বালুর গদির হাজার হাজার মেট্রিকটন পানি নামানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
স্থানীয় গ্রামবাসীর দাবী, বর্ষা মৌসুমে প্রশাসন এসে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেই ক্ষান্ত। স্থায়ী কোন সমাধানের উদ্যোগ নিচ্ছেনা কেউ। জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহনকৃত খালগুলো উদ্ধার করে পুনঃখননের মাধ্যমে বানিয়াদী স্লূইচ গেইটের সাথে খালগুলোর সংযোগ চান এলাকাবাসী। সেই সাথে বানিয়াদী স্লূইচ গেইটের মাধ্যমে শীতলক্ষ্যা নদীতে পানি নিস্কাশন করতে হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে মিটিং করা হয়েছে। যার যার অবস্থান থেকে খালের উপরের অবৈধস্থাপনা স্বইচ্ছায় সরিয়ে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তাদেরকে নির্দিষ্ট সময় দেয়া হয়েছে। তাতে কাজ না হলে অভিযান চালিয়ে সকল অবৈধস্থাপনা গুড়িয়ে দেয়া হবে।

এ সম্পর্কিত আরো খবর...

error: Content is protected !!