আদালত চত্বরে মারধর করার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ
মহানগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাড,সাখাওয়াতের বিরুদ্ধে মামলা ফতুল্লা থানায়
Tnntv24.নিজস্ব প্রতিবেদক:
নারায়ণগঞ্জের আদালতপাড়ায় শিশু সন্তানদের সামনে বাবা ও মাকে মারধরের ঘটনায় অবশেষে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানসহ আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা নিয়েছে ফতুল্লা থানা পুলিশ। এর আগে মামলায় সাখাওয়াতের নাম থাকায় পুলিশ মামলা নিতে চাইছিলো না বলে অভিযোগ করেছিলেন মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী রাজিয়া সুলতানা।
বুধবার ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আনোয়ার মামলা গ্রহণ করার বিষয়টি নিশ্চিত করে।
সূত্র জানায়,মামলার বাদীনীর স্বামী ইরফান মিয়া ২৫ লাখ টাকা পাওনা না পেয়ে দেনাদারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে। গত ২৬ অক্টোবর সেই মামলার তারিখে রাজিয়া সুলতানা,তার স্বামী ইরফান মিয়া, দুই পুত্র জিদান ও আব্দুল্লাহ আদালতে যায়। তখন অ্যাড.সাখাওয়াত হোসেন খান আদালত চত্বর থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করে। তারা বের হতে না চাইলে সাখাওয়াত ও তার লোকজন হামলা চালায় বামলার বাদীনী পরিবারের সদস্যদের ওপর।
মামলার আসামিরা হলেন-নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাড. শাখাওয়াত হোসেন খান,সাত্তারের ছেলে ইসমাইল, হিরন, শাহালম ,সাত্তার সরকারের ছেলে টিটু (৫০), রাসেল ব্যাপারি (৩৫)। এছাড়াও আরও ১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
এবিষয়ে মামলার বাদী রাজিয়া সুলতানা বলেন,আজকে থানা থেকে আমাকে ফোন করে জানানো হয়েছে যে মামলাটি নেয়া হয়েছে। আমরা থানা থেকে মামলার কপিটি সংগ্রহ করেছি। তবে কপিতে সাখাওয়াতের নামটি ঘোলা করা।
এবিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, এঘটনায় মামলা নেয়া হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেবে।
এর আগে গত রোববার (২৬ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জ আদালতে মামলার শুনানিতে যাওয়ার সময় রাজিয়া সুলতানা নামের এক নারী ও তার স্বামীর ওপর হামলা চালান নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের অনুসারীরা। হামলায় রাজিয়া সুলতানা (৩৮) তার স্বামী মোঃ ইরফান মিয়া (৫০) ও দুই পুত্র জিদান (১৮) এবং আব্দুল্লাহ (৫) আহত হন।
এদিকে হামলার ঘটনার সাথে কোন সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবী করেছেন অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে ক্লিন ইমেজ নষ্ট করতে এই ষঢ়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে দাবী করেন তিনি।








