চাহিদা মতে ২০ দিনের মধ্যে জমি হস্তান্তর না হলে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা
নদীর ওপর নির্মাণাধীন কদমরসুল সেতুর নির্মাণ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে
Tnntv24.নিজস্ব প্রতিবেদক:
চাহিদা মতে ২০ দিনের মধ্যে জমি হস্তান্তর না হলে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর নির্মাণাধীন কদমরসুল সেতুর নির্মাণ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে। ফলে ঠিকাদারের কাজের অগ্রগতি ব্যাহত হবে বলে ক্ষতিপূরণ দাবি উত্থাপনের ঝুঁকি সহ প্রকল্পের ব্যয় ও বাস্তবায়নকালে বিরূপ প্রভাব ফেলবে। তাই সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ রেলওয়ের মালিকানাধীন প্রয়োজনীয় জমি ২০ দিনের মধ্যে হস্তান্তরের তাগাদা দিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। জমি হস্তান্তরে বিলম্ব হলে সেতুর পরবর্তী নির্মাণকাজ বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা জানিয়েছে সংস্থাটি। এছাড়াও আগামী রবিবার (২৩ আগস্ট) চাহিত জমির সীমানা নির্ধারণ সম্পন্ন করার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের একজন উপযুক্ত প্রতিনিধি পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে এলজিইডি।
এ বিষয়টি জানিয়ে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী (গ্রেড-১) মো. বেলাল হোসেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালকে গত ১৭ আগস্ট চিঠি দিয়েছেন।
চিঠিতে বলা হয়, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৫ নম্বর গুদারাঘাটের কাছে শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর ‘কদমরসুল সেতু নির্মাণ প্রকল্প (১ম সংশোধিত)’-এর নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। সেতু নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের মালিকানাধীন প্রয়োজনীয় জমির দখল হস্তান্তর প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করার জন্য অত্যাবশ্যক।
জমি হস্তান্তরের লক্ষ্যে ২০২৩ সালের ১৮ মে এলজিইডি ও বাংলাদেশ রেলওয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। পরবর্তীতে গত ২৭ জুলাই অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ রেলওয়ে এলজিইডির চাহিত জমি হস্তান্তর করবে। ওই জমিতে থাকা স্থাপনার ক্ষতিপূরণ এলজিইডি সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রদান করবে।
তবে স্থাপনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ ও পরিশোধের প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ হওয়ায় জমি হস্তান্তরের সঙ্গে ক্ষতিপূরণ প্রক্রিয়াকে পূর্বশর্ত হিসেবে না রাখার বিষয়টি চিঠিতে তুলে ধরা হয়েছে। এলজিইডি বলছে, ভূমির দখল হস্তান্তর এবং ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ ও পরিশোধের কার্যক্রম একই সঙ্গে করা হলে নির্মাণকাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হবে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, সেতুর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অংশের পাইল নির্মাণকাজ বর্তমানে প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট জমি ২০ দিনের মধ্যে হস্তান্তর না হলে পরবর্তী নির্মাণকাজ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এতে ঠিকাদারের কাজের অগ্রগতি ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ দাবি উত্থাপনের ঝুঁকি রয়েছে। ফলে প্রকল্পের ব্যয় ও বাস্তবায়নকাল উভয়ের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
নারায়ণগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত কদমরসুল সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করে নদী পারাপারের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।








