বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের সময় দুর্গম এলাকায় দ্রুত উদ্ধার
কার্যক্রম পরিচালনা —দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু
Tnntv24.নিজস্ব প্রতিবেদক:
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, দুর্যোগকালীন উদ্ধার সক্ষমতা আরও বাড়াতে জাইকার অর্থায়নে দেশের ১২টি উপকূলীয় জেলায় আধুনিক স্পিডবোট দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও ২৫টি জেলায় এসব উদ্ধারযান সরবরাহ করা হবে, যাতে বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের সময় দুর্গম এলাকায় দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়।
মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের বন্দরে দেশের দুর্যোগকালীন জরুরি উদ্ধার কাজে ব্যবহারের জন্য ১২টি উপকূলীয় জেলায় স্পিডবোট বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, বাংলাদেশে জাপান দূতাবাস এর রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক নুরজাহান খানম সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তরা।
মন্ত্রী বলেন, বিতরণ করা স্পিডবোটগুলো ডাবল ইঞ্জিনবিশিষ্ট হওয়ায় সমুদ্রে চার নম্বর বিপদ সংকেত চলাকালেও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এতে উপকূলীয় ও দুর্গম এলাকার মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছানো সহজ হবে।
তিনি বলেন, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা। সেই লক্ষ্যেই সরকার উদ্ধার সক্ষমতা বাড়াতে ধারাবাহিকভাবে আধুনিক সরঞ্জাম সংযোজন করছে। আজকের এই স্পিডবোট বিতরণ কার্যক্রম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
আসাদুল হাবিব দুলু জানান, উপকূলীয় জেলার পাশাপাশি হাওড়াঞ্চলেও পর্যায়ক্রমে উদ্ধার বোট সরবরাহ করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, চলতি বছরে হাওড় অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতের দুর্যোগ মোকাবিলায় সেখানকার সক্ষমতা আরও জোরদার করা হবে।
তিনি জাপান সরকার ও জাইকার সহযোগিতার প্রশংসা করে বলেন, তাদের সহায়তায় দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে।
সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারীদের শুকনা খাবার ও রান্না করা খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ মানুষ নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন।








