নারায়ণগঞ্জ | | |
  সর্বশেষ
জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকীতে থাকা  ওয়াটা কেমিক্যালসে ধ্বংস হবে ১৫০ মেট্রিক টন মেয়াদত্তীর্ণ রাসায়নিক পদার্থ:Tnntv24
রূপগঞ্জে  জলসিঁড়ি আবাসন কোম্পানীর লেকের পাড় ঝোপের ভিতরে মহিলা বাবুর্চির মরদেহ উদ্ধার:Tnntv24
রূপগঞ্জে জামায়াতে ইসলামী ডেঙ্গু সচেতনতা কার্যক্রম উদ্বোধন ও লিফলেট বিতরণ:Tnntv24
রূপগঞ্জে কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে  তিন যুবক গ্রেফতার:Tnntv24
রূপগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির নতুন উপজেলা কমিটি গঠন রাতুল আহবায়ক,তারেক সদস্য সচিব সেলিম সাংগঠনিক সম্পাদক:Tnntv24 
রূপগঞ্জে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় মুখোরিত শীতলক্ষ্যা, নদীর তীরে লাখো জনতার ঢল:Tnntv24
নির্মাণ কাজ  শেষ হওয়ার আগেই এশিয়ান হাইওয়ে  সড়কে ফাটল যানচলাচল ব্যহত: Tnntv24
নারায়ণগঞ্জ: বাসভাড়া কমাতে সাত ছাত্র সংগঠনের ৪৮ ঘন্টার আলটিমেটাম । Tnntv24
নারায়ণগঞ্জ:নার্গিসের অভিযোগ স্বামী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাকসুদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাংচুর।Tnntv24
প্রধানমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জের নেতা-কর্মীদের ফুলের শুভেচ্ছায় ভাসলেন।Tnntv24
Next
Prev

রূপগঞ্জে ছাদবাগান ও নার্সারির বিস্তারে নীরব বিপ্লব ঘটছে , ব্যবসা সফল:Tnntv24

রূপগঞ্জে ছাদবাগান ও নার্সারির বিস্তারে নীরব বিপ্লব ঘটছে , ব্যবসা সফল:Tnntv24

Facebook
WhatsApp
LinkedIn
রূপগঞ্জে ছাদবাগান ও নার্সারির বিস্তারে নীরব বিপ্লব ঘটছে , ব্যবসা সফল:Tnntv24
রূপগঞ্জে ছাদবাগান ও নার্সারির বিস্তারে
নীরব বিপ্লব ঘটছে , ব্যবসা সফল
Tnntv24.শফিকুল আলম ভুইঁয়া নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মানুষের ছাদবাগান ও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ আগের তুলনায় বর্তমানে অনেক বেড়েছে। নিজেদের পুষ্টির চাহিদা পূরণের জন্য মানুষ ফল ও সবজির আবাদ করছে। এছাড়া ফলদ চারা ও কলমের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় রূপগঞ্জে নার্সারির সংখ্যাও বেড়েছে। এর মাধ্যমে কৃষি অর্থনীতিতে ঘটছে নীরব বিপ্লব। ইতিমধ্যে এই নার্সারির ব্যবসা সফলতায় অনেকের ভাগ্য বদলে দিয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পূর্বাচলে ৩০০ফুট সড়কের আশপাশেসহ রূপগঞ্জ উপজেলায় ছোট-বড় প্রায় দুই শতাধিক নার্সারি রয়েছে। এছাড়া রূপগঞ্জের অধিকাংশ ভবনেই ছোটবড় ছাদবাগান রয়েছে। ছাদবাগানের সংখ্যা প্রায় তিন সহস্রাধিক। এই সব ছাদবাগান ও নার্সারিতে হাড়িভাঙ্গা, ল্যাংড়া, আমরুপালি, হিমসাগর, ফজলি, গৌরমতি, বারি-৪, ব্যানানা ম্যাঙ্গো, চিয়াংমাই, ব্রুনাই কিং, মিয়াজাকি, ডগমাই জাতের আম, আঠাহীন কাঁঠাল, ভিয়েতনাম ও কেরালার নারকেল, সুপারি, সফেদা, শরিফা, বেদানা, মাল্টা, কুল, কামরাঙা, সেগুন, মেহগনি, শাদ, বাবলা, তেজপাতা, দারুচিনি, এলাচ, চালতা, কদবেল, আপেল, কাজুবাদাম, রক্ত চন্দন, শ্বেত চন্দন, পেয়ারা, আঙুর, লিচু, জাম, আপেল, ডালিম, ইউক্যালিপটাস, শিলকড়াই, শিরীষ, নিম, আমড়া, লটকন, চইবান, লবঙ্গ, হরীতকী, বহেরা, অর্জুন, বিভিন্ন জাতের লেবু, মিষ্টি তেঁতুল, অ্যালোভেরা, গোলাপ, ক্যাকটাস এবং অন্যান্য ফলদ ও ঔষধি গাছের চারা পাওয়া যায়। প্রান্তিক ব্যবসায়ীরা এ সব নার্সারি থেকে কম দামে চারা কিনে গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজারে বিক্রি করে। চাহিদা ও গুণগতমান অনুসারে একটি চারার পাইকারি মূল্য ৫ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।
নার্সারি মালিকরা জানিয়েছেন, বছরে চারা বিক্রির মৌসুম হচ্ছে দুটি। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিক্রি হয় বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের গাছ। তবে সেটা মূল ব্যবসার সময় নয়। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিক্রি হয় বিভিন্ন ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা। মূলত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস সামনে রেখে সারা বছর বিভিন্ন প্রজাতির চারা উৎপাদন করা হয়।
পূর্বাচলের নোয়াখালী সওদা নার্সারির কর্মচারী শফিকুল ইসলাম বলেন, নার্সারিতে শুক্র ও শনিবার কেনাবেচা বেশি হচ্ছে। ফলদ গাছের চাহিদা বেশি। বিক্রি হচ্ছে প্রচুর।
মঙ্গলখালী গ্রামের ছাদবাগানের মালিক হাসিনা আক্তার বলেন, অনুকূল পরিবেশ থাকায় ছাদ বাগানে ফল ও ঔষধি গাছের পাশাপাশি শাক সবজি বিপুল পরিমাণে ফলন হচ্ছে। টবে উপযুক্ত মাটি তৈরি, নিয়মিত ও পরিমিত পানি সেচ, জৈব সারের ব্যবহার এবং পানি নিঃষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করলে ছাদ বাগানে সফলতা আসে।
মিঠাব গ্রামের ছাদবাগানের মালিক গৃহিণী শবনম মোস্তারিন   বলেন, পোকা মাকড় দমন ও নিয়মিত গাছের ডালপালা ছাঁটাইয়ের মাধ্যমে গাছ সুস্থ্য ও সবল রাখলে ছাদবাগানে গাছে ফলন ভাল হয়।
মুড়াপাড়া এলাকার মা নার্সারির মালিক মুজিবর রহমান বলেন, বর্ষাকাল বৃক্ষরোপণের অনুকুল হওয়ায় চারাগাছের চাহিদা বেশি থাকে। মানুষ প্রতিদিন বিভিন্ন ফল ও ঔষধি গাছের চারা কিনতে নার্সারিগুলোতে ভিড় করছেন।
আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মানসুরা জান্নাত মনিমা বলেন, বাড়ির বারান্দার জন্য তিনি বেশ কিছু ফুলের চারা ক্রয় করেছেন। এখানে দাম কম।
নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আঃ জাঃ মুঃ আহসান শহীদ সরকার বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলায় নিবন্ধিত নার্সারির সংখ্যা সাত শতাধিক। এছাড়া অনিবন্ধিত নার্সারির সংখ্যা আরো বেশি। সব মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলায় মোট নার্সারির সংখ্যা সহস্রাধিক।
রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার আফরোজা সুলতানা বলেন, নার্সারি নিবন্ধন না করলে জরিমানার কোনো বিধান না থাকায় অধিকাংশ নার্সারির মালিক তা নিবন্ধন করতে চান না। রূপগঞ্জ উপজেলায় দিন দিগ নার্সারির ব্যবসা প্রসারিত হচ্ছে। সেখান থেকে সারা দেশে চারা সরবরাহ করা হয়।
রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, নার্সারির মালিকদের ব্যবসা সফল ভাবে করার জন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। অত্যন্ত লাভজনক ও সম্ভাবনাময় এ খাত দিন দিন প্রসারিত হচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরো খবর...

error: Content is protected !!