নারায়ণগঞ্জ শনিবার | ৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ বসন্তকাল | ১৮ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
  সর্বশেষ
এ সময়ের জনপ্রিয় ১৫ নায়িকার নাম প্রকাশ করলেন অভিনেতা-উপস্থাপক জয়: Tnntv24
শক্তিশালী কালবৈশাখীর আবাস দিলো কানাডার এক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মোস্তফা কামাল পাশা : Tnntv24
বিচারহীনতার এক নাম ত্বকী হত্যা: করব জিয়ার শেষে দ্রুত বিচার দাবি : Tnntv24
রূপগঞ্জ জনগণের প্রত্যাশা উপজেলা  চেয়ারম্যান হিসাবে অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুনকে দেখতে চান: Tnntv24
রূপগঞ্জে মাদদ্রব্যসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার: Tnntv24
নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ত্বকী হত্যার ১৩ বছর পূর্ণ , অভিযোগ পত্র না দেয়ায় ক্ষোভ, অদৃশ্য সুতার টানে থমকে আছে : Tnntv24
সোনারগাঁসোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ।Tnntv24
নারায়ণগঞ্জে সেলিম মণ্ডল হত্যা মামলায় সাবেক মেয়র আইভীর জামিন নামঞ্জুর : Tnntv24
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনসহ ছয় সিটির প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রীম কোটের হাইকোর্টে রিট : Tnntv24
বিকেএমইএ’র সভাপতি হাতেম এর ছেলে হাসিন আরমান অয়ন জুলাই আন্দোলনের অংশিদার : Tnntv24
Next
Prev

বিএনপিপন্থি কয়েকজন আইনজীবী আদালতপাড়ায় সাংবাদিকদের ওপর চড়াও।Nafiz Ashraf.Tnntv24

বিএনপিপন্থি কয়েকজন আইনজীবী আদালতপাড়ায় সাংবাদিকদের ওপর চড়াও।Nafiz Ashraf.Tnntv24

Facebook
WhatsApp
LinkedIn
বিএনপিপন্থি কয়েকজন আইনজীবী আদালতপাড়ায় সাংবাদিকদের ওপর চড়াও।Nafiz Ashraf.Tnntv24

বিএনপিপন্থি কয়েকজন আইনজীবী

আদালতপাড়ায় সাংবাদিকদের ওপর চড়াও

Tnntv24.অনলাইন ডেক্স:

রাজধানীর নিম্ন আদালতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করা সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়ে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বিএনপিপন্থি কয়েকজন আইনজীবী।কণ্ঠশিল্পী ও সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের রিমান্ড শুনানিকে কেন্দ্র করে আইনজীবীরা এমন কান্ডঘটায়।

মঙ্গলবার (১৩ মে) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের সামনে সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়ে এ হুমকি দেন তারা।

মঙ্গলবার দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে মমতাজকে আদালতে হাজির করা হয়। তাকে ঢাকার সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। বেলা ৩টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে মমতাজকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে তোলা হয়।

এসময় আদালতে অন্য মামলার শুনানি চলছিল। তবে মমতাজকে আদালতে নেওয়া হলে পুরো এজলাস কক্ষ পরিপূর্ণ হয়ে যাই এবং কিছুটা হট্টগোলের তৈরি হয়।

মমতাজ বেগমকে যখন এজলাস কক্ষে নেওয়া হয়, তখন সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহের জন্য সেখানে যান। তারা এজলাস কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে এজলাসের দরজার মুখে এক পাশে কয়েকজন সাংবাদিক দাঁড়িয়েছিলেন। তখন দুই আইনজীবী মাহবুব আলম ও আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের এজলাস কক্ষ থেকে বের করে দেওয়ার জন্য বলেন। এনিয়ে কথা কাটাকাটি হয় দুই পক্ষের। পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

মমতাজের সাত দিনের রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত তার চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

রিমান্ডের আদেশ হওয়ার পর মমতাজ বেগমকে হাজতখানায় নেওয়া হয়। পরে আইনজীবীরা ব্রিফ করতে সিএমএম আদালতের সামনে রাখা ডায়াসের সামনে দাঁড়িয়ে পড়েন। ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে নিজেদের (আইনজীবীদের) মধ্যে ধস্তাধ্বস্তি শুরু হয়। এসময় বেসরকারি টেলিভিশন ‘এখন’ এর রাব্বি হোসেন, সময় টেলিভিশনের আসিফ মাহমুদ সিয়াম আইনজীবীদের শান্ত হয়ে ধস্তাধ্বস্তি না করে শৃঙ্খলভাবে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। এরপরই সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন দুই আইনজীবী মাহবুব আলম ও আক্তার হোসেন। উপস্থিত সাংবাদিকরা তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা আরও চড়াও হন। কে কোথায় কাজ করেন তা দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। অকথ্য ভাষায় সাংবাদিকদের গালিগালাজ করেন। কয়েকজন সাংবাদিককে হেনস্থা করেন এবং গালিগালাজ করেন।

এসময় বিএনপিপন্থি কয়েকজন আইনজীবী তাদের শান্ত করার চেষ্টা করলেও অন্য কয়েকজন আইনজীবী তাদের পক্ষ নেন। এ অবস্থায় ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী অভিযুক্ত দুই আইনজীবীকে নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এবিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক রাব্বি হোসেন বলেন, ‘এজলাসে আমরা কয়েকজন সাংবাদিক উপস্থিত হলে, আইনজীবীরা আমাদের বলেন— এখানে সাংবাদিকদের কী কাজ। আমি বলেছি, নিউজের জন্যই এসেছি। পরে শুনানি শেষ হলে আমরা বিনয়ের সঙ্গে আইনজীবীদের ডায়াসের সামনে দাঁড়াতে বলি। তারপরই আমিসহ একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদকের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে যান আইনজীবীরা। এক পর্যায়ে আমাদের ধাক্কা দিতে থাকেন। ১৭ বছর কই ছিলাম, বিএনপিপন্থি আইনজীবী পরিচয় দিয়ে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন তারা।’

আরেক সাংবাদিক সিয়াম বলেন, ‘মাহবুব আলী ও আক্তার হোসেন বারবার সাংবাদিকদের বলছিলেন, আদালত আমার, এখানে আমরা যা বলবো তাই হবে। এতে সাংবাদিকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা বাড়ে। পরে তিনি আমাকে দালাল সাংবাদিক, ধান্দাবাজ বলে গালি দেন। তিনিসহ আরও কয়েকজন আইনজীবী গায়ে হাত তোলার জন্য তেড়ে আসেন।’

এ ঘটনায় কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি লিটন মাহমুদ এবং সাধারণ সম্পাদক মামুন খান। দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

এ সম্পর্কিত আরো খবর...

error: Content is protected !!