বন্দরের ইসলামী আন্দোলনের নেতা বুলবুল হত্যার প্রধান আসামীসহ
৭ জনের ১০ দিন এবং চার নারীর ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
Tnntv24.নিজস্ব প্রতিবেদক:
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা জাহিদ আল আমিন বুলবুল হত্যার মামলার প্রধান আসামী শেখ সিফাতসহ ৭ আসামীকে ১০ দিন করে এবং ৪ নারী আসামীকে তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। রোববার বিকেলে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হুদা চৌধুরী এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে কঠোর নিরাপত্তা বেস্টুনির মধ্য দিয়ে পুলিশ বুলবুল হত্যার প্রধান আসামী শেখ সিফাতসহ অন্য আসামীদের আদালতে তোলার সময় ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা ও নিহত বুলবুলের স্বজনা শেখ সিফাতের উপর হামলা চালায় এবং তাকে মারধর করে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে আদালতে এজলাশে নিয়ে যায়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গ্রেফতারকৃত ১১ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দশদিনের রিমাণ্ডের আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে শেখ সিফাতসহ ৭ আসামীকে ১০ দিন করে এবং ৪ নারীকে ৩দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
দশদিনের রিমাণ্ডপ্রাপ্তরা হলো, মামলায় প্রধান অভিযুক্ত বন্দর উপজেলার শাহী মসজিদ এলাকার শেখ শাহিনের ছেলে শেখ সিফাত, কদমরসুল এলাকার আলী আকবরের ছেলে জুম্মন ওরফে হোয়াইট জুম্মন, একই এলাকার সুলাইমানের ছেলে মো. সিয়াম , বারপাড়ার রবিউল হোসেনের ছেলে মাহবুব হোসেন ওরফে মাহাফুজ , শাহী মসজিদের সোবাহানের ছেলে রিয়াদ , চিতাশালের ইমরান আলীর ছেলে ইরফান, চৌধুরীবাড়ির সোহেলের ছেলে সিজান ওরফে জিসান।
একই মামলায় সালেহনগর এলাকার পারভেজের স্ত্রী মিনারা, ওই এলাকার দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী রুমা , মাসুদ মিয়ার স্ত্রী নাসিমা এবং শাহী মসজিদ এলাকার দ্বীন ইসলামের স্ত্রী ইয়াসমিনকে ৩দিন করে রিমাণ্ড দিয়েছে আদালত।
গত বৃহস্পতিবার রাতে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় নিহত হন ইসলামী যুব আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক জাহিদ আল আমিন ওরফে বুলবুল ।
এ ঘটনায় রাতভর অভিযান চালিয়ে বন্দরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ধারালো অস্ত্রসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন শুক্রবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি বলেন, ২০২৪ সালের ২৩ জুলাই পেশায় ব্যবসায়ী বুলবুলের অটোরিকশার গ্যারেজে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরে ২০ আগস্ট বন্দর থানায় এ ঘটনায় একটি মামলা করেন নিহতের ভাই জুবায়ের আল আমিন। ওই মামলায় শেখ সিফাত ও তার সহযোগীদের আসামি করা হয়।








