Tnntv24.নিজস্ব প্রতিবেদক:
পাটকে আমরা বলি সোনালী আশঁ। আমাদের প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিল এক সময় পাট। বাংলাদেশের পাট বীজ এখন আসে অন্য দেশ থেকে। আমরা একটি ক্রাশ প্রোগ্রাম নিয়েছি যাতে স্বল্পতম সময়ে পাট বীজে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়। প্রতিবছর আমাদের সাড়ে চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন পাট বীজ লাগে। বহুমূখী পাটপণ্য মেলার উদ্বোধনকালে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ সব কথা বলেন। পাট পণ্যের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে দাবী করে উদ্যোক্তারা বলেন পাট পণ্যের প্রচারণা ও মানুষের আগ্রহ বাড়ানোই আমাদের লক্ষ্য। আর পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও পরিবেশ বান্ধব বলে নারায়ণগঞ্জে এমন উদ্যোগ ধারাবাহিকভাবে হওয়া উচিত বলে মনে করেন ক্রেতা সাধারণ। নারায়ণগঞ্জ থেকে নাফিজ আশরাফের।
শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় শহীদ জিয়া হল প্রাঙ্গনে পাট অধিদপ্তরের উদ্যোগে পাঁচ দিনব্যাবী বহুমূখী পাটপণ্য মেলার উদ্বোধন করেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এসময় তিনি বলেন, পাট পণ্যের দেশীয় ব্যবহার বাড়ানোর জন্য ইতিমধ্যে সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে। আমাদের মন্ত্রী পরিষদ থেকে ইতিমধ্যে একটি সার্কুলার জারী হয়েছে। যাতে আমাদের সরকারী অফিসগুলোতে পাটের তৈরি পণ্য এবং অন্যান্য সামগ্রী যেন আমরা বেশি বেশি ব্যবহার করি। আমরা যে কেবিনেট ফাইল পাই সে ফাইলের ফোল্টার পাটের তৈরি। মন্ত্রীরা যে সরকারি ব্যাগ ব্যবহার করে সেগুলিও পাটের। আমরা পাটের ব্যবহার বাড়াবো, পলিথিনকে নিরুৎসাহিত করবো।অ আগামী দিনে সেটার বাস্তব ফলন সবাই দেখবেন।
পাট মন্ত্রী আরো বলেন, পাটের তৈরি পণ্যের ভালো ডিজাইন এবং পাট পণ্যের বহুমুখীকরণ এই সংস্থাটিকে আমরা আরো বেশি গবেষণা সহায়তা এবং কারিগরি সহায়তা দিয়ে পাট পন্যে দেশের বাইরে বহুমুখী ব্যবহারের ফলে আগামীতে পদক্ষেপ নিচ্ছি। এক-দুই বছরের মধ্যেই এর ফলাফল আপনারা দেখবেন।
পাট পন্যের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে দাবী করে মেলায় আগত উদ্যোক্তারা বলেন ,পাট পন্যের প্রচারণা ও মানুষের আগ্রহ বাড়ানোই আমাদের লক্ষ্য। বিশ্ববাজারে এ পন্যের দাম দিন দিন বাড়ছে। আমরা এখন স্বল্প মূল্যে বাজারজাত করছি। পাট পন্য শতভাগ পরিবেশ বান্ধব, পাটকে বাংলার সোনালী আশঁ বলা হয়। এ পাট দিয়ে পন্য ব্যবহার ও ঘর সাজানোর বিভিন্ন জিনিস তৈরি করছেন জানিয়ে তারা বলেন মানুষের মাঝেও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আগে এতটা বুঝতো না এখন যেভাবে মানুষ বুঝে। আ
এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে মেলায় আগত দর্শনার্থীরা বলছেন, পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্য পরিবেশ নষ্ট হয় না, পাট পরিবেশ বান্ধব বলে নারায়ণগঞ্জে এমন উদ্যোগ ধারাবাহিকভাবে হওয়া উচিত। তাদের মতে পরিবেশ সহায়ক হিসাবে পাটকে যেভাবে বাজারজাত করার দরকার ছিল সেভাবে হয়নি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান, পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. নুরুল বাসির এবং অনুষ্ঠানের সভাপতি নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির সহ অন্যান্যরা।








