এনামুল হক প্রিন্স এর
এক গুচ্ছ কবিতা
জলে নামবে গা ভেজাবে না
আমি প্রতিদিন
শ্রাবণের নীল আকাশে
উড়ে বেড়াই।
স্বপ্ন রেখে আঁকছি
একজন অনামিকা নূর
গোটা ক্যানভাসে
ছবি আঁকা
প্রায় শেষ।
শুধু তুলির
শেষ আচঁড় দিতে হবে।
অদৃষ্ট বেছে নিলেন
তরুণ কাব্যের রূপকার
একজন সুফী আইকন
একই অঙ্গে কত রূপ
জলে নামবে
গা ভেজাবে না
আরও অদ্ভুত কান্ড
আসলেই তোমাকে
নিয়ে ঘর করার কঠিন।
চিরবৈরী
এবার হাড়ে হাড়ে
টের পাচ্ছি
কখনো অশ্রুতে
ভিজিয়ে যায় মায়া।
পুড়ে যায় কত স্বপ্ন
কষ্টভেজা বিপন্নতার
অভিমান বিনাশের
মেঘেরা প্রণয় আবেগ ছোটে
জীবনটা যেন
এক হিসেবের খাতা।
কিছুই নেই
শূন্যতার নিঃশব্দ
আগুনে চুপচাপ
পুড়ে যায় কত স্বপ্ন।
মানুষ নদীর মতো
নদীর এত জল
কখনো শান্ত
কখনো উত্তাল
কখনো বাকবদল।
আমাকে বেমালুম ভুলে গেছে
ডানে বায়ে কিংবা পেছনে
তাকানোর নেই সময়।
হৃদয়ের ডাইরিতে
হুইসেল বাজে
স্টেশন ছেড়ে চয়ে যায়
দূর পাল্লার গাড়ী
আর আমি কেবলই
অবেলায় কাঁদি।
তুমি আমার কেবলই আমার
ডেটিং করা
চুটিয়ে প্রেমকরা
আমার স্বভাবে নেই
আমি পারি না।
তোমার নীরবতা নিঃসঙ্গতার
ভাষা আমি বুঝি
অপলক দৃষ্টিতে
চেয়ে দেখলাম অনেক ক্ষণ।
সত্যিই এই চোখে
গভীরতা আছে
তবে প্রশান্তির
কোনো ছলনা নেই
নিঃশ্বাসে বিশ্বাস করা যায়।
সুন্দরী তো বটে
বড় মায়াময়
ঠোঁটের কোনে হাসি
ভাবি বৈকালিক স্নিগ্ধ
মিষ্টি বাতাসের মতো।
তোমাকে ভালো
না বেসে থাকা যায় না
তুমি আমার
কেবলই আমার।
প্রাণের অব্যক্ত যন্ত্রণা
অন্ধকার নিবিড় রাতে
মাঝে মধ্যে চমকে উঠি
ঘুমোতে চাই
ঘুম যে আসেনা।
অন্তর কাঁপে
ক্ষয়িত যৌবনের
বাসন্তী ফুলগুলো
ঝড়ে গেছে অবেলায়
ছুটে চলে
চোখের জলধারা।
ঘর সংসার জীবন
তন্নতন্ন করে খুঁজি
বুকে কান্না চেপে
দিগন্তের আঁধারে
হৃদয়ের ডায়রিতে
কষ্টের প্রখরতা।
অন্তর কাঁপে
আমি তো মধ্যরাতের পথিক
প্রাণের অব্যক্ত যন্ত্রণা
নিবারণের কেউ নেই।
প্রাণরে অব্যক্ত যন্ত্রণা
অন্ধকার নবিড়ি রাতে
মাঝে মধ্যে চমকে উঠি
ঘুমোতে চাই
ঘুম যে আসনো।
অন্তর কাঁপে
ক্ষয়তি যৌবনরে
বাসন্তী ফুলগুলো
ঝড়ে গছেে অবলোয়
ছুটে চলে
চোখরে জলধারা।
ঘর সংসার জীবন
তন্নতন্ন করে খুঁজি
বুকে কান্না চপেে
দগিন্তরে আঁধারে
হৃদয়রে ডায়রতিে
কষ্টরে প্রখরতা।
অন্তর কাঁপে
আমি তো মধ্যরাতরে পথকি
প্রাণরে অব্যক্ত যন্ত্রণা
নবিারণরে কউে নইে।
#####








