নারায়ণগঞ্জ শুক্রবার | ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ গ্রীষ্মকাল | ১৯শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  সর্বশেষ
পুলিশের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় আইভীর বাড়ি ঘেরাও। Tnntv24
জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল।Tnntv24
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু।Tnntv24
সংবাদ প্রকাশের পর: ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রূপগঞ্জের ভুলতা সড়কের পাশের ময়লা আবর্জনার স্তুপ অপসারণ:Tnntv24
সোনারগাঁয়ে এভারগ্রীন মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ফয়জুল নামে এক ব্যক্তিকে নির্যাতন ও পিটিয়ে হত্যা অভিযোগ।Tnntv24
তের মাস পর কারা মুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী।Tnntv24
নারায়ণগঞ্জ নগরীতে সুপেয় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে চীনা কোম্পানির আগ্রহ:Tnntv24
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গুণধর পুত্র মোবাইলের দাবিতে বাবাকে হত্যার চেষ্টা করে: Tnntv24
টিউবওয়েল বসানোর সময় লোহার পাইপ বৈদ্যুতিক তারে স্পর্শে বিদ্যুতায়িত হয়ে নিহত ১, আহত ৩।Tnntv24
রূপগঞ্জে কলেজ ছাত্রী অপহরণ:Tnntv24
Next
Prev

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার শুনানি পেছালো। Nafiz Ashraf.Tnntv24

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার শুনানি পেছালো। Nafiz Ashraf.Tnntv24

Facebook
WhatsApp
LinkedIn
নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার শুনানি পেছালো। Nafiz Ashraf.Tnntv24

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত

খুন মামলার শুনানি পেছালো

Tnntv24.অনলাইন ডেক্স:

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ ৭ জনকে অপহরণ ও হত্যার মামলার আপিল বিভাগের শুনানি চার সপ্তাহের জন্য মুলতবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ-এর নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

তদন্তে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকা থেকে প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ ৭ জনকে অপহরণ করা হয়। তিন দিন পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন:প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম,তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন,তাজুল ইসলাম,লিটন, নজরুলের গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম,আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার,তার গাড়িচালক ইব্রাহিম।

মামলার প্রেক্ষাপটে নিহত নজরুল ইসলাম ও তার চার সহকর্মীর জন্য তার স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি ফতুল্লা থানায় মামলা করেন, আর আইনজীবী চন্দন সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহিম হত্যার ঘটনায় জামাতা বিজয় কুমার পাল আলাদা মামলা দায়ের করেন।

২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি বিচারিক আদালত নূর হোসেন ও র‌্যাবের বরখাস্ত তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং বাকি ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।

এরপর হাইকোর্টে আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শুরু হয়। ২০১৭ সালের ২২ আগস্ট হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে ১৫ জনের এবং ১১ জনের সাজা কমিয়ে জাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকি ৯ জনের বিভিন্ন মেয়াদের সাজাও বহাল থাকে।

অন্য যে ১১ জনের ফাঁসির আদেশ বহাল রয়েছে তারা হলেন-র‌্যাবের চাকরিচ্যুত সাবেক হাবিলদার মো. এমদাদুল হক, ল্যান্সনায়েক হীরা মিয়া, আরওজি-১ এ বি মো. আরিফ হোসেন, ল্যান্সনায়েক বেলাল হোসেন, সিপাহী আবু তৈয়্যব আলী, কনস্টেবল শিহাব উদ্দিন, এসআই পূর্ণেন্দু বালা, সৈনিক আবদুল আলীম, সৈনিক মহিউদ্দিন মুন্সী, সৈনিক আলামিন শরীফ ও সৈনিক তাজুল ইসলাম।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ১১ আসামি এবং অন্যান্য ৯ জনের সাজার বিস্তারিতও আদালতে বহাল থাকে।

মঙ্গলবারের শুনানি চার সপ্তাহের জন্য মুলতবি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।

এই মামলাটি বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম সর্বাধিক আলোচিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে পরিচিত এবং এখনও তা আপিল পর্যায়ে আলোচনার বিষয়।

এ সম্পর্কিত আরো খবর...

error: Content is protected !!