নারায়ণগঞ্জ | | |
  সর্বশেষ
মোহাম্মদ সোহাগ তিন ব্যবসায়ি সংগঠনের নেতৃত্বে,পেলেন চেম্বারের সংবর্ধনা:Tnntv24
নারায়ণগঞ্জে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। Tnntv24
নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাসুম ৬৯ বছরে পা রাখলেন। Tnntv24
সাবেক সেনা অফিসার জিয়াউল অহসানের রূপগঞ্জের বাড়িতে দুদক অভিযান চারিয়েছে।Tnntv24
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ-গ্রেফতার ১।Tnntv24
রূপগঞ্জে বেড়িবাধেঁর ভেতর কৃত্রিম জলাবদ্ধতার  প্রতিকার চায় এলাকাবাসী:Tnntv24
টাংগুয়ার হাওরে ‘জল হাওর একতারা’ কাব্যগ্রন্থের পাঠ-উন্মোচন:Tnntv24
দেশের ১০ জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের পরিকল্পনা, খেলাধুলায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।Tnntv24
রূপগঞ্জ ইউপিতে প্রশাসক নিয়োগের প্রতিবাদে  জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন:Tnntv24
রূপগঞ্জ সদর ইউনিয়নের প্রশাসক হলেন বিএনপি নেতা মোঃ নূরনবী ভুঁইয়া:Tnntv24
Next
Prev

নারায়ণগঞ্জে খুনের বদলা খুন! প্রকাশ্যে পিটিয়ে যুবক হত্যা

নারায়ণগঞ্জে খুনের বদলা খুন! প্রকাশ্যে পিটিয়ে যুবক হত্যা

Facebook
WhatsApp
LinkedIn
নারায়ণগঞ্জে খুনের বদলা খুন! প্রকাশ্যে পিটিয়ে যুবক হত্যা

নারায়ণগঞ্জে খুনের বদলা খুন! প্রকাশ্যে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা পিটিয়ে এক যুবকে খুন করেছে।

শুক্রবার বেলা ১১ টার পর বন্দর উপজেলার মদনপুরের মুরাদপুর এলাকায় নৃশংস এই ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম মনিরুজ্জামান মনু(৪২)। সে এক সময়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী কামরুজ্জামান কামুর ভাই। দেড় যুগ আগে কামরুজ্জামান কামু প্রতিপক্ষ অপর শীর্ষ সন্ত্রাসী সুরত আলী বাহিনীর হাতে খুন হয়। পরবর্তীতে সুরত আলীও খুন হয়।

ওই এলাকায় এভাবে খুন পাল্টা খুন দুই যুগ ধরে চলে অসছে।

নিহত মনিরুজ্জামান মনু নিজকে রক্ষা করার জন্য কাপাশিয়া শ্বশুর বাড়ি থাকত। মামীর মৃত্যু সংবাদে শুক্রবার সকালে সোনারগাঁওয়ের কাঁচপুরে আসে। মামীর জানাজায় অংশ নিয়ে নিজ বাড়ি বন্দরের মুরাদপুরে যায়। খবর পেয়ে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা মুরাদপুর গিয়ে ঘরে প্রবেশ করে। স্ত্রীর সামনে মনুকে প্রথমে মাথায় গুলি করে। তারপর টেনে হেঁচড়ে বাইরে নিয়ে কুঁপিয়ে ও পিটিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এমন বর্ণনা দিয়েছেন নিহতের স্ত্রী সাবিনা।

জনশ্রুতি আছে ২০০০ সালের আগে  কামরুজ্জামান কামুর বাবা কামাল উদ্দিনকে ট্রাক চাপায় হত্যা করা হলে সেই হত্যার বদলা নিতে কামু বেপরোয়া হয়ে উঠে। তারপর কামুকে হত্যার উদ্দেশ্যে সুরত আলী গ্রুপ হামলা চালিয়ে কামুকে না পেয়ে তার মা ফুল বিবিকে কুপিয়ে হত্যা করে। এঘটনার পর প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী সুরত আলীর ভাই দলিল লেখক বাতেনকে হত্যা করে কামু বাহিনী। তারপর সুরত আলী গ্রুপ পরপর কামুর দুই ভাই ও দুই বোনকে হত্যা করে। হত্যার পর দুই বোনের লাশ পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানায়, মদনপুর বাসস্ট্যান্ডে পরিবহনে চাঁদাবাজি ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে খুনের বদলে খুন চলে আসছে।

 

এ সম্পর্কিত আরো খবর...

error: Content is protected !!