নারায়ণগঞ্জ | | |
  সর্বশেষ
মোহাম্মদ সোহাগ তিন ব্যবসায়ি সংগঠনের নেতৃত্বে,পেলেন চেম্বারের সংবর্ধনা:Tnntv24
নারায়ণগঞ্জে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। Tnntv24
নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাসুম ৬৯ বছরে পা রাখলেন। Tnntv24
সাবেক সেনা অফিসার জিয়াউল অহসানের রূপগঞ্জের বাড়িতে দুদক অভিযান চারিয়েছে।Tnntv24
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ-গ্রেফতার ১।Tnntv24
রূপগঞ্জে বেড়িবাধেঁর ভেতর কৃত্রিম জলাবদ্ধতার  প্রতিকার চায় এলাকাবাসী:Tnntv24
টাংগুয়ার হাওরে ‘জল হাওর একতারা’ কাব্যগ্রন্থের পাঠ-উন্মোচন:Tnntv24
দেশের ১০ জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের পরিকল্পনা, খেলাধুলায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।Tnntv24
রূপগঞ্জ ইউপিতে প্রশাসক নিয়োগের প্রতিবাদে  জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন:Tnntv24
রূপগঞ্জ সদর ইউনিয়নের প্রশাসক হলেন বিএনপি নেতা মোঃ নূরনবী ভুঁইয়া:Tnntv24
Next
Prev

রূপগঞ্জে ভূলতা গাউছিয়া ফুটপাত হকারদের দখলে// প্রশাসনের অভিযান ব্যর্থ, সিন্ডিকেটের দাপটে আবারও দখল মহাসড়ক:Tnntv24

রূপগঞ্জে ভূলতা গাউছিয়া ফুটপাত হকারদের দখলে// প্রশাসনের অভিযান ব্যর্থ, সিন্ডিকেটের দাপটে আবারও দখল মহাসড়ক:Tnntv24

Facebook
WhatsApp
LinkedIn
রূপগঞ্জে ভূলতা গাউছিয়া ফুটপাত হকারদের দখলে// প্রশাসনের অভিযান ব্যর্থ, সিন্ডিকেটের দাপটে আবারও দখল মহাসড়ক:Tnntv24
রূপগঞ্জে ভূলতা গাউছিয়া ফুটপাত হকারদের দখলে
প্রশাসনের অভিযান ব্যর্থ, সিন্ডিকেটের দাপটে
আবারও দখল মহাসড়ক
Tnntv24.শফিকুল আলম ভুইঁয়া নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ  ভূলতা গাউছিয়া ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে গত ৩ বছর ধরে প্রশাসনের একের পর এক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হলেও বাস্তবে কোনো স্থায়ী সমাধান মিলছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, ৩ বছর ধরে চলমান এই দখলদারিত্ব এখন একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটে পরিণত হয়েছে, যার কারণে সরকার পরিবর্তন হলেও বদলায়নি ফুটপাতের ভাগ্য।

জুলাই ২০২৪ ও মার্চ ২০২৬ সালে একাধিকবার অভিযান চালিয়ে সড়কের দুই পাশের অবৈধ দোকানপাট, স্ট্যান্ড ও অস্থায়ী স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানের সময় প্রশাসনের কঠোর অবস্থান দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও কয়েকদিন না যেতেই আগের চিত্র আবারও ফিরে আসে। রাতের অন্ধকারে কিংবা দিনের ব্যস্ত সময়ে পুনরায় দোকান বসিয়ে দখল করা হয় ফুটপাত ও সড়কের একাংশ। ফলে মহাসড়কে যানজট, বিশৃঙ্খলা ও দুর্ভোগ এখন নিত্যদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী, যাত্রী ও পথচারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই দখলদারিত্বের পেছনে রয়েছে একটি সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্র। অভিযোগ রয়েছে, কথিত কিছু লাইনম্যান ও প্রভাবশালী ব্যক্তির মাধ্যমে প্রতিদিন হকারদের কাছ থেকে ফুটপাতের দোকান থেকে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়। আর সেই টাকারভাগ স্হানীয় পুলিশ প্রশাসন ও নেতা-কর্মীদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা হয়।  প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানের কয়েকদিন পর আবারও ফুটপাত দখল হয়ে যায়। ফলে সরকারি উদ্যোগ বারবার প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভূলতা বাসস্ট্যান্ড থেকে গাউছিয়া মার্কেট এলাকা পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশে অসংখ্য ভাসমান দোকান, ফলের স্টল, পোশাকের দোকান, খাবারের অস্থায়ী স্টল ও বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর পসরা বসিয়ে রাখা হয়েছে। ফুটপাত পুরোপুরি দখল হয়ে যাওয়ায় পথচারীরা বাধ্য হয়ে মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করছেন। এতে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে, বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের চলাচল হয়ে উঠেছে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

স্থানীয়রা জানান, সকালে অফিসগামী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন। অল্প দূরত্ব পার হতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। যানজটের কারণে অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি যানবাহনও আটকে পড়ছে। ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির মুখে পড়ছেন। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—যদি প্রশাসন সত্যিই কঠোর হয়, তাহলে ৩ বছরেও কেন দখলমুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না?

এলাকাবাসীর অভিযোগ, উচ্ছেদ অভিযান অনেক সময় লোক দেখানো কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ থাকে। কয়েকদিন অভিযান চালানোর পর সংশ্লিষ্টদের তৎপরতা কমে গেলে আবার আগের মতো হকার বসতে শুরু করে। ফলে স্থায়ী কোনো নজরদারি বা কার্যকর ব্যবস্থাপনা না থাকায় পুরো পরিস্থিতি আবারও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

সচেতন মহল মনে করছেন, শুধুমাত্র উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, নিয়মিত মনিটরিং এবং চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা। একইসঙ্গে হকারদের জন্য বিকল্প পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

এদিকে সাধারণ মানুষের দাবি, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কে এ ধরনের বিশৃঙ্খলা দেশের ভাবমূর্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তাই অবিলম্বে স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করে ভূলতা-গাউছিয়া এলাকার ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছেন”

এ সম্পর্কিত আরো খবর...

error: Content is protected !!