নারায়ণগঞ্জ | | |
  সর্বশেষ
রূপগঞ্জে শিক্ষকের উপর হামলার  ঘটনায় মামলা // ছাত্র গ্রেফতার:Tnntv24
নারায়ণগঞ্জ:দেবীরূপে কুমারী শ্রেয়সীকে হাজারো ভক্তের শ্রদ্ধার্ঘ্য। Tnntv24
বোস কেবিনে চায়ের স্বাদ নিয়ে আমলাপাড়া মন্ডপ পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত। Tnntv24
মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেনটি ক্রিস্টেনসেন সস্রিক রূপগঞ্জের পূজামন্ডব পরিদর্শন:Tnntv24
রূপগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে  দুই গ্রুপের সংঘর্ষে যুবদল নেতা নিহত:Tnntv24
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতা-গাউছিয়া থেকে হকার উচ্ছেদের পর পাল্টে গেছে সড়কের চিত্র :Tnntv24
রূপগঞ্জে ফ্রান্স প্রবাসীর ২৬ লাখ  ৮০ হাজার টাকা ছিনতাই:Tnntv24
রূপগঞ্জে জালিয়াতি ও ভূয়া দলিলে জমি দখলের  প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান:Tnntv24
সোনারগাঁয়ে লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তার ওপর হামলার অভিযোগ:Tnntv24
কায়েতপাড়া ইউনিয়নকে আধুনিক ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় গোলজার হোসেনের:Tnntv24
Next
Prev

রূপগঞ্জের আলোচিত হেকমত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সবুজের মৃত্যুদণ্ড: Tnntv24

রূপগঞ্জের আলোচিত হেকমত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সবুজের মৃত্যুদণ্ড: Tnntv24

Facebook
WhatsApp
LinkedIn
রূপগঞ্জের আলোচিত হেকমত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সবুজের মৃত্যুদণ্ড: Tnntv24

রূপগঞ্জের আলোচিত হেকমত হত্যা

মামলায় প্রধান আসামি সবুজের মৃত্যুদণ্ড

Tnntv24.নিজস্ব প্রতিবেদক:

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের আলোচিত হেকমত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি রফিকুল ইসলাম সবুজকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত। একই সঙ্গে লাশ গুমের কাজে সহযোগিতার দায়ে তার ভাই মাহফুজুর রহমানকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আবু শামীম আজাদ রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ জাকির জানান, ২০২০ সালের মার্চ মাসের দিকে ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে রূপগঞ্জ উপজেলার কালাদিগ্রাম এলাকার বাসিন্দা হেকমতকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়।
নিহত হেকমত ও আসামি রফিকুল ইসলাম সবুজ যৌথভাবে একটি ব্যবসা পরিচালনা করতেন। ব্যবসার অংশীদারিত্ব নিয়ে বিরোধের জেরে সবুজ কৌশলে হেকমতকে ডেকে নিয়ে প্রথমে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে এবং পরে তাকে হত্যা করে।
হত্যার পর প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে একটি ড্রাম কিনে তার ভেতরে লাশ রেখে উপরে সিমেন্ট ঢেলে দেওয়া হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় ড্রামটি একটি খালে ফেলে দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী খাল থেকে সিমেন্টভর্তি ড্রাম উদ্ধার করে পুলিশ। ড্রাম ভেঙে ভেতর থেকে হেকমতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ২০১ ধারায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত প্রধান আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। অপর এক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলার আরেক আসামি (সবুজের বাবা) বিচার চলাকালে মারা যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা আবসান করা হয়।
মামলার বাদী ও নিহত হেকমতের স্ত্রী রোকসানা বেগম
এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও তারা আংশিক সন্তুষ্ট। তাদের দাবি, এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিতভাবে একাধিক ব্যক্তি মিলে সংঘটিত করেছে।
প্রধান আসামির ফাঁসির রায়ে আমরা কিছুটা সন্তুষ্ট। তবে সবাই মিলে পরিকল্পনা করে হত্যা করেছে। সবুজ দায় নিজের ওপর নিলেও অন্যদেরও কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত ছিল। আমরা সামনে উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচার আশা করছি। বাকি আসামীদের শাস্তির জন্য আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব বলে জানান।

রাষ্ট্রপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে দ্রুতই দণ্ড কার্যকর হবে।

এ সম্পর্কিত আরো খবর...

error: Content is protected !!