সোনারগাঁয়ের বারদী এলাকার
অটোচালক ওয়ালি উল্লাহ হত্যা মামলার
দুই আসামীকে গ্রেফতার করেছে
পুলিশ
Tnntv24.নিজস্ব প্রতিবেদক:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের বারদী এলাকার অটোচালক ওয়ালি উল্লাহ হত্যা মামলার দুই আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন
(পিবিআই)। অটোরিক্সা ছিনতাইকারি চক্রের সদস্যরা যাত্রীবেশে ওয়ালি উল্লাহর অটো রিক্সা ভাড়া করে । পরে আড়াইহাজার উপজেলার ধ্রুপদী নির্জন এলাকায়
অটোচালক ওয়ালি উল্লাকে হত্যা করে লাশ পাশের ডোবায় ফেলে দিয়ে অটোরিক্সা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
বোরবার দুপুরে নগরীর সাইনবোর্ড এলাকায় অবস্থিত পিবিআই অফিসে এক প্রেস কনফারেন্সে পুলিশ সুপার মো: মোস্তফা কামাল রাশেদ এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত ৫ জুলাই সোনারগাঁয়ের বারদী এলাকার হারুনুর রশিদের ছেলে অটো চালক ওয়ালি উল্লাকে যাত্রীবেশে আড়াইহাজার যাওয়ার জন্য ভাড়া
নেয় যাত্রী। কিন্ত রাতে বাসায় না ফেরায় পরের দিন ওয়ালি উল্লাহ বাবা সোনারগাঁ থানায় জিডি করেন। ওই দিনই নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ধ্রুপদী
এলাকায় ওয়ালি উল্লাহ লাশ পেলে পরিবারের লোকজন গিয়ে সনাক্ত করে। এ ঘটনায় আড়াইহাজার থানায় মামলা হয়। ঘটনার পর থেকেই ছায়া তদন্ত শুরু করে পিবিআই।
পরে মামলার তদন্তভার পায় । ঘটনার দিনের আশেপাশের সিসি টিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষন, তথ্যপ্রযুক্তি সহাযতায় অটো ভাড়া নেয়া দুই যাত্রীকে
চিহৃত করে। পরে ৩ আগষ্ট সোনারগাঁয়ের বারদী আলমদী এলাকার আব্দুল লতিফ ছেলে আওলাদ হোসেনকে (২৬) গ্রেফতার করে। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী অপর যাত্রী
মো: শাহিন (৩১) গ্রেফতার করে। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে উপস্থাপন করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। আদালত পাচঁ দিনের রিমান্ড
মঞ্জুর করে। জিজ্ঞাসাবাদে শাহিন অটো ছিনতাইয়ের উদ্দ্যোশে যাত্রী বেশে ভাড়া নিয়ে অটো ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি
প্রদান করে। পুলিশ জানায়, এই ছিনতাইকারি চক্রের সাথে ছয় থেকে সাতজন জড়িত। হত্যাবকান্ডে সাথে সরাসরি জড়িত আরো কয়েকজনরে নাম পাওয়া গেছে। তাদের আইনের আওতায়
আনার চেষ্টা করছে। পুলিশ ছিণতাইকৃত অটোরিক্সাটি মুন্সিগঞ্জ থেকে উদ্ধার করে এবং আসামী শাহিনের বাড়ি থেকে নিহতের মোবাইল ফোন সিমি উদ্ধার করে।








